হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র উন্মোচনের তাগিদ

41

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার ষড়যন্ত্রের বীজ বপন হয়েছিল একাত্তর সালেই। তবে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ও জনরোষের ভয়ে তাকে হত্যার সাহস পায়নি পাকিস্তানিরা। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন দেশ পুনর্গঠনে ব্যস্ত, তখন নতুন ষড়যন্ত্রের বীজ বুনে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সেজন্য ঘাতকের দল বন্দুকের নল তাক করে জাতির পিতার দিকে। ষড়যন্ত্র সফল করতে মরিয়া দেশি-বিদেশি শক্তি। আর সেই ষড়যন্ত্রের পথ ধরেই কিলিং মিশনে অংশ নেয় খুনিরা। বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় ৬ ফুটের হিমালয়সম দেহ। রক্তাক্ত সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়ে রক্তাক্ত বাংলাদেশ। ধানমন্ডি ৩২ থেকে সেই রক্তের ধারা প্লাবিত করে ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল।

পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের সুদীর্ঘ ২১ বছর পর হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের জঘন্যতম ওই হত্যাযজ্ঞের নেপথ্যে মদদদাতা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে পরিবার-পরিজনসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল, সেই ষড়যন্ত্র এখনো অজানা।