রামগঞ্জে চন্ডীপুর ইউনিয়নে আলোচনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী  বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত পাইন

485

 

এম কাউছার হোসেন, দেশান্তর সংবাদঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যানপ্রার্থী হিসেবে প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী পাইন । তিনি অত্র ইউনিয়ন পরিষদের একাধারে ২০০৩ সাল থেকে অদ্যবধি প্রায় ১৮ বছর পর্যন্ত ইউপি সদস্য হিসাবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে জনসাধারনের আস্থা ও সুখ্যাতি অর্জন করে সেবা দিয়ে আসছেন। স্থানীয় সংসদ ড. আনোয়ার হোসেন খানের সাথে সরাসরি সুসর্ম্পক বজায় রেখে এলাকার উন্নয়নে যথেষ্ট ভুমিকা রেখেছেন। মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাবে সংসদ সদস্যের এবং সরকারি ত্রান বিতরনের পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কয়েক দফায় নগদ অর্থ, খাদ্য সামগ্রী নিয়ে চন্ডিপুরের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। যেটা চন্ডিপুর ইউনিয়নসহ উপজেলাব্যাপী আলোচিত হয়ে জনপ্রিয়তার উর্ধে উঠে এসে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে প্রসংশিত হয়েছেন।

লিয়াকত আলী পাইন পিতা মৃত সুলতান আহম্মদ পাইনের ঘর আলোকিত করে ১৯৫৬ সালে উপজেলার উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন৷তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা বাহিনী সদস্য ছিলেন। এ ছাড়াও তিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার । পাশাপাশি তিনি সুরেরবাগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, , বকশি বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি, পাইন বাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি, সানফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে ও এলাকার রাস্তাঘাট,মসজিদ মাদ্রাসা ও স্কুলের উন্নয়ন ব্যাপক ভুমিকা রেখে সমাজ সেবামূলক কাজ করেছেন৷ দাম্পত্য জীবনে ৩ ছেলে ১মেয়ের জনক৷ বড় ছেলে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদী আরবে একজন সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, মেঝ ছেলে ইন্সপেক্টর হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত। ছোট ছেলে পলাশ পাইন বকশীবাজারের ব্যবসায়ী এবং চন্ডিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ নেতা। মেয়ের জামাই ফিলিপাইনে একজন ব্যবসায়ী। বাবার পাশাপাশি তারাও দান অনুদান দিয়ে সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে ব্যাপক প্রসংশায় ভুষিত হয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী পাইন চন্ডিপুর ইউনিয়নের জনগনের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে নিজেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ঘোষনা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত দলীয় সভা সমাবেশের পাশাপাশি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়, মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন৷ মানুষও তাঁকে একজন সৎ আদশবার্ন ব্যক্তি হিসাবে গ্রহন করে চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য সর্বোচ্ছ বেশী ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার প্রতিশ্রতি দিচ্ছে৷ তিনি আরো জানান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সরকারি বিভিন্ন ভাতাসহ সকল সুযোগ সুবিধা প্রচলিত ঘুষ দুর্নীতি দমন করে জনগনের দৌরঘোরায় পৌঁছে দেওয়া হবে যা ৫ নং ইউনিয়নের জনগণ বিশ্বাস করে। এমনকি নিজের বেতনের টাকাও অসহায়দের মাঝে বিলিয়ে দিবেন। এবং জননেতা ড.আনোয়ার হোসেন খানের সাথে সম্পর্ক আরো জোরদার করে চন্ডিপুর ইউনিয়কে একটি মডেল ইউনিয়নে রুপান্তরিত করবেন।

লিয়াকত আলী পাইন বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম৷ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষনে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করি৷ মুক্তিযুদ্ধের পর রক্ষীবাহিনীতে যোগদান করি৷ পরবর্তিতে সেনাবাহিনীতে চাকুরি জীবন শেষ করে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা করে যাচ্ছি৷ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ১৮ বছরের মধ্যে কেউ আমার বিরুদ্ধে কোন একটি অভিযোগ দিবে এমন কাজ আমি করিনি৷ আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক তাই আমি অর্থের জন্য জনপ্রতিনিধিত্ব করি না৷ দল যদি আমাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি দলের নেতাকর্মী ও জনসাধারনদেরকে সাথে নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করতে পারবো বলে আশা করি৷