রামগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৬ সদস্য গ্রেফতার,অস্র ও মালামাল উদ্ধার

606

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর আতর আলী বেপারি বাড়ীর খোরশেদ আলমের বসতঘরে ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য নাজিম উদ্দীন (২০) জসিমউদদীন (২২) রফিকুল ইসলাম রবিন(২৭) সজিব (২৩) রাছেল (২৮) শ্যামল কর্মকার (৪৩) কে গ্রেফতার করে রামগঞ্জ থানা পুলিশ। ১৪ আগষ্ট শনিবার দুপুরে আটককৃতদের জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
এসময় আটককৃত ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যাবহৃত চাপাতি, ধামা,ছোরা এবং লুটিয়ে নেয়া প্রায় ৫ ভরি স্বর্নালংকার, মোবাইল ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। জিঞ্জসাবাদে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে ডাকাতরা।
২৬ জুলাই গভীররাতে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের আতর আলী বেপারি বাড়ীর খোরশেদ আলমের ঘরে ডাকাতির ঘটনায় ২৭ জুলাই রামগঞ্জ থানা পুলিশের দায়ের করা ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় করা মামলার সূত্রধরে রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এস আই তাজুল ইসলাম, এস আই হুমায়ুন ও এএসআই মোঃ দেলোয়ার হোসেন বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের চাঁন বালা বাড়ির নূর মোহাম্মদ এর কূখ্যাত ছেলে নাজিম উদ্দীনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসলে তার জবানবন্দি মোতাবেক উত্তর ফতেহপুর গ্রামের আনোয়ার উল্লার ছেলে মোঃ জসিম উদ্দীন, চাঁঙ্গীগাঁও গ্রামের হাজি শামছুর ণূর পাটওয়ারীর ছেলে রফিকুল ইসলাম রবিন, একই গ্রামের বিল্লাল হোসেন এর ছেলে মোঃ সজিব দক্ষিণ হরিশ্চর গ্রামের আবুল বাশার পাটওয়ারীর ছেলে মোঃ রাছেল হোসেন ও ডাকাতির সময় লুটপাটকৃত মালামাল ক্রয় করার অপরাধে মাছিমপুর গ্রামের মৃত হরেকৃষ্ণ কর্মকারের ছেলে (কামার হাট পুশ্পিতা শিল্পালয়ের মালিক) শ্যামল কর্মকার সহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬সদস্যকে গ্রেফতার করে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।
রামগঞ্জে ৬ ডাকাত গ্রেফতারের খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে উপজেলাব্যাপি সর্বত্র জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
এব্যাপারে খোরশেদ আলম জানায়, সোমবার গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা মুখোশ পরে আমার ঘরের দরজা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্নালংকার,মোবাইল ও অন্যাণ্য জিনিসপত্র সহ প্রায় ১৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানায়, ডাকাত দলের প্রধান নাজিম উদ্দীন কে গ্রফতারের সূত্র ধরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার করে ডাকাতি কাজে ব্যাবহৃত দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বাকী ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।