একজন পরিশ্রমী ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম ঝুঁকি নিয়েই দায়িত্ব পালন করছেন দিন-রাত

332

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চাঁদপুর জেলার অন্যতম উপজেলা হাজীগঞ্জ, আর হাজীগঞ্জ বাজারের উপর দিয়েই বয়ে গেছে চাঁদপুর-কুমিল্লা মহা সড়কটি, এ সড়কটি প্রতিদিনই সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে।

হাজীগঞ্জ থানা গঠনের পর থেকেই হাজীগঞ্জ বাজারে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বাজারের যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশ।
বিগত দিনে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করলেও যানজট নিরসনের তেমন কোন সুরহা করতে পারেনি।
বর্তমান ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম যোগদানের পর থেকেই হাজীগঞ্জ বাজারকে যানজট মুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রতিফলন ইতো মধ্যে হাজীগঞ্জ বাসী কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারছে।
আমরা দেখেছি, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম, তিনার দুজন সার্জেন্ট ও ৫/৭ জন ট্রাফিককে সাথে নিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট নিরসনে কাজ করছেন। আর বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থায় যানজট মুক্ত একটি সুন্দর শহর উপহার দিতে ঝুঁকি নিয়েই দায়িত্ব পালন করছেন তারা।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম এর কর্ম-দক্ষতায় তিনি হাজীগঞ্জ বাজারের সড়কের উপর থেকে হকারদেরকে বাজারের একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করছেন, পূর্ব বাজারকে করেছেন সিএনজি মুক্ত, ফুটপাত মুক্ত করে জন সাধারনের চলাচলের জন্য করে দিয়েছেন উন্মুক্ত, পশ্চিম বাজারে অবৈধ বাস স্ট্যান্ড সরিয়ে নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে স্থানাস্তরে কাজ করছেন প্রতিনিয়তই।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার এ সুন্দর কার্যক্রমটি এতো মধ্যে জনসাধারনের নজর কাড়লেও একশ্রেণির ‘তথাকথিত’ রাজনৈতিক নেতাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে হয়তো যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের কষ্টসাধ্য হবে।
তাই হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, সমাজের সচেতন নাগরিকদের একটু সচেতনতার মাধ্যমেই ট্রাফিক পুলিশের এ কষ্টসাধ্য কাজটি সহজ হবে।
আর ট্রাফিক পুলিশের সর্বত্র নিরলস পরিশ্রম হবে সার্থক….
নচেত, প্রতিদিনই ঘন্টার পর ঘন্টার যানজট দেখতে হবে আমাদের, পোহাতে হবে দুর্ভোগ, দিনের পর দিন।